ধর্মপাশা-গাছতলা সড়কের বেহাল অবস্থা চরম দুর্ভোগে দুই উপজেলার মানুষ
- আপলোড সময় : ১৪-০৭-২০২৬ ০১:৪৮:৩২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৪-০৭-২০২৬ ০১:৪৮:৩২ অপরাহ্ন
সাইফ উল্লাহ ::
ধর্মপাশা থেকে গাছতলা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। বড় বড় গর্ত, ভাঙন ও সরু হয়ে যাওয়া সড়ক দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ।
সুনামগঞ্জের হাওর ও সীমান্তবর্তী পর্যটন এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম ধর্মপাশা-মধ্যনগর সড়ক। এ পথ ব্যবহার করে বিশ্বখ্যাত টাঙ্গুয়ার হাওর, শিমুল বাগান, বারেকের টিলা ও অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো পর্যটক যাতায়াত করেন। কিন্তু ধর্মপাশা সেতু থেকে গাছতলা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এখন তা কার্যত চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং দুই পাশের ভাঙনের কারণে রাস্তা অনেক সরু হয়ে গেছে। ফলে বিপরীতমুখী যানবাহন চলাচলের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। অনেক সময় যানবাহন উল্টে যাচ্ছে কিংবা সড়কের নিচে পড়ে যাচ্ছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে সড়কটি সুনামগঞ্জ থেকে নেত্রকোণা সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে হস্তান্তর করা হয়। ২০১৭ সালে মধ্যনগরের পিঁপড়াকান্দা পর্যন্ত কিছু অংশ সংস্কার করা হলেও নি¤œমানের কাজের কারণে তা অল্প সময়ের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। বিশরাকান্দা এলাকায় নদীভাঙনও সড়কটিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।
ধর্মপাশা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুবায়ের পাশা হিমু বলেন, এই একটি সড়কের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ সবকিছুই ব্যাহত হচ্ছে।
পাইকুরাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন ইকবাল বলেন, এই সড়ক এখন দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
গাছতলা বাজার বণিক সমিতির সদস্য পাঠান সাদেক বলেন, আমরা চাই সড়কটি আবার সুনামগঞ্জ সওজের অধীনে আনা হোক। প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে।
ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, সড়কটির সংস্কারের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে বলে জেনেছি। আপাতত বড় বড় গর্তগুলো ইটের খোয়া দিয়ে ভরাট করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বলা হয়েছে।
নেত্রকোণা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ সালেহীন বলেন, এস্কেভেটর দিয়ে গর্ত ভরাটের কাজ শুরু হবে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া স¤পন্ন করে স্থায়ী সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ